Saturday, October 16, 2021

রেজিস্টরের মান নির্ণয় । কালার কোড এর মাধ্যমে রেজিস্টরের মান নির্ণয় ।

 রেজিস্টরের অপর নাম রোধ অথবা রেজিস্ট্যান্স ।এটি কারেন্ট চলাচলে বাধা প্রদান করে। 



সকল ইলেকট্রনিক্স সার্কিটে রেজিস্টর ব্যাবহার করা হয়। রেজিস্টর ব্যাথিত কোনো ইলেকট্রনিক্স সার্কিট সম্পন্ন করা যায় না।  

রেজিস্টরের ভিন্ন ভিন্ন মান রয়েছে ।প্রয়োজন মত একেক মানের রেজিস্টর একেক সার্কিটে ব্যাবহার করা হয়।  যদি কোনো সার্কিটে কম মানের রেজিস্টর প্রয়োজন হয় কিন্তু সেখানে যদি বেশি মানের রেজিস্টর দেওয়া হয় তবে সার্কিটটা সঠিক ভাবে কাজ করবে না । আবার বেশি মানের রেজিস্টর প্রয়োজন যেসব সার্কিটে সেইসব সার্কিটে কম মানের রেজিস্টর দিলে সার্কিট পুড়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। তাই রেজিস্টরের মান নির্ণয় করা অতিব জরুরি।

প্রতিটা রেজিস্টরের গায়ে 4 টা কালার থাকে। এই কালারের মান অনুযায়ি নির্ধারন করা যায় রেজিস্টরের মান।


1ম, 2য়, 3য় এবং চতুর্থ ব্যান্ড কে A, B, C and D দিয়ে প্রকাশ করা হয় ।




কালার কোড: 


রংএর নাম.              মান.           টলারেন্স মান‌

‌ ‌কালো                     0.                ±20%

বাদামি       ‌‌‌‌‌‌  ‌‌‌‌‌ ‌‌           1 ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌ ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌ ‌‌‌‌‌               ±1%

লাল‌‌ ‌‌‌‌  ‌         ‌             2‌                  ±2%

কমলা                      3                   ±3%

হলুদ ‌                       4 ‌                 --------

সবুজ ‌                      5 ‌                  ±5%

নীল ‌                        6  ‌                 ±6%   ‌

বেগুনী ‌                    7 ‌                  ±12.5%

ধূসর ‌                       8 ‌                  ±30%

সাদা ‌                       9 ‌                  ±10

সোনালী‌ ‌                 --- ‌                 ±5%

রূপালী‌                    ---                  ±10%

নো কালার               ---                  ±20%


উপরের এই রং গুলোর নাম কে ধারবাহিক ভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পদ্ধতি ব্যাবহার করা যায়।


BB Roy of Great Brieten has a very Good Wife. অথবা BB Roy Good Boy


উপরের বাক্যে ব্যাবহৃত শুধু মাত্র বড় হাতের অক্ষর গুলো দ্বারা ধারাবাহিক ভাবে রং এর নাম ওবং 0 হতে 9 পর্যন্ত মান ধরা হয়।


যেমন, B(Black) B(Brown) R(Red) O(Orange) Y(Yellows) of Great (Green) Britein(Blue)  has a Very (Violet)  Good(Greg)  Wife (White) 

 





কালার গুলোর মানকে সূত্রে ফেলে খুব সহজ ভাবে রেজিস্টরের মান বের করা যায়।


সূত্র:


R=AB×10^C ± D%


এখানে, 

R=রেজিস্ট্যান্স

A=  রেজিস্টরের গায়ে 1ম ব্যান্ডের রং এর মান

B=রেজিস্টরের গায়ে 2য় ব্যান্ডের রং এর মান

C=পাওয়ার 10 এবং 3য় ব্যান্ডের রং এর মান

D=টলারেন্স, 4র্থ ব্যান্ডের রং এর মান


আমরা একটা রেজিস্টরের মান বের করলে বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যাবে 


মনে করি, একটা রেজিস্টরের গায়ে বাদামি, কালো, নীল এবং রূপালী এই 4টি রং রয়েছে । 


রেজিস্টরের মান :

সূত্র R=AB×10^C±D Ohm

উক্ত রেজিস্টরের রং অনিযায়ী

1ম ব্যান্ড বাদামি রং A=1

2য় ব্যান্ড কালো রং B=0

3য় ব্যান্ড নীল রং C=6

4র্থ ব্যান্ড রূপালী রং D=±10%


সূত্র মতে, 

R=10×10^6±10%

=10000000±10%

=10000000±1000000 ohm {Note(10000000×6÷100)}

=10M ohm


এই ভাবে খুব সহজেই কালার কোড দিয়ে রেজিস্টরের মান নির্ণয় করা যায় ।


অপটিক্যাল ফাইবার কি? এবং এর গঠন!

 অপটিক্যাল ফাইবার কি: অপটিক্যাল ফাইবার হলো আলো পরিবহন করতে সক্ষম এক প্রকার মাইক্রোওয়েভ গাইড। এটি মূলত এক ধরনের অত্যাধুনিক ট্রান্সমিশন মিডিয়া, যা কাঁচ বা প্লাষ্টিক দ্বারা তৈরি। অপটিক্যাল ফাইবারে মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আলোর গতি 3×10^8 মিটার / সেকেন্ড ।


গঠন প্রণালি: অপটিক্যাল ফাইবার মূলত তিনটা অংশ নিয়ে গঠিত, 

1)কোর

2)ক্লাডিং

3)কোটিং



কোর: কোর হলো অপটিক্যাল ফাইবারের ভিতরের অংশ, যা কাঁচ বা প্লাষ্টিকের তৈরি। এই অংশই হলো প্রকৃত ফাইবার যা আলোক বিম পরিবহনের কাজ করে। এটি দেখতে পাইপের ফাঁকা কেন্দ্রের ন্যায়। কোরের ব্যাস সাধারণত 50 থেকে 500um হয়ে থাকে।


ক্লাডিং: অপটিক্যাল ফাইবারের কোরকে আবৃত করে রাখা এর চারিদিকের আবরণ কে ক্লাডিং বলে। ক্লাডিং এর আলোক প্রতিসরাংক কোরের আলোক প্রতিসরাংকের চেয়ে কম। এটি পাইপের ভিতরের আলোকে বাইরের লিকেজ থেকে রক্ষা করে। কোর ও ক্লাডিং এর মাধ্যমে অপটিক্যাল ওয়েভ রিসিভ ও ট্রান্সমিট করা হয়।


কোটিং: কোর ও ক্লাডিং এর বাইরে চতুপার্শ্বের আলোক অপরিবাহী স্তরকে কোটিং বলে। এটি ফাইবারকে, ঘর্ষণ, মরিচা, আঘাত এবং বিভিন্ন ক্ষতিকারক অবস্থা থেকে রক্ষা করে। এর ব্যাস সাধারণত 250 থেকে 1000um হয়ে থাকে।আলোক পরিবহনের সাথে কোটিং সম্পর্কিত নয়।